গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে ৬ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান
ছবি সংগৃহীত
দশ বছরে পা দিয়েছে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও চিত্রনায়ক শাকিব খানের একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়। ছেলের বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নানা আয়োজনের পর এবার তাকে নিয়ে কক্সবাজারে উড়াল দিয়েছেন অপু বিশ্বাস। জন্মদিনের আনন্দ আরও রঙিন করতেই মা-ছেলের এই বিশেষ ভ্রমণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কক্সবাজার যাত্রার একটি ছবিও শেয়ার করেছেন অপু বিশ্বাস। ছবিতে একটি উড়োজাহাজের সামনে হাসিমুখে মা-ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অপুর পরনে ছিল গোলাপি রঙের কাজ করা সালোয়ার-কামিজ ও চোখে রোদচশমা। অন্যদিকে জয়ের পরনে ছিল কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট। চোখে রোদচশমার পাশাপাশি মুখে কালো মাস্ক পরা ছিল তার।
ছবিটি শেয়ার করে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘ফ্লাই টু কক্সবাজার, আব্রাম খান জয় বার্থডে স্পেশাল ট্রিপ।’
এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জন্মদিনের প্রথম প্রহরে ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট দেন অপু বিশ্বাস। জয়ের সঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন জয় বাবা। তুমি আমার জীবনের সেই মানুষ, যার হাসিতে আমার পৃথিবী আলোকিত হয়। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার বাবা। শুভ জন্মদিন।’
জয়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার বাবা চিত্রনায়ক শাকিব খানও। কালো কটি ও পাঞ্জাবি পরা জয়ের একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা, বাবা। তুমি যেন আকাশের নক্ষত্রের মতো উঁচুতে পৌঁছাতে পারো এবং তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারো।’
২০০৮ সালে বিয়ে করেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করে দীর্ঘদিন নিজেদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন তারা। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি হাসপাতালে জন্ম নেয় তাদের ছেলে আব্রাম খান জয়।
পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে হাজির হন অপু বিশ্বাস। সেখানেই শাকিব খানের সঙ্গে নিজের বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। বিষয়টি সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
বাবা-মায়ের তারকাখ্যাতির কারণে জন্মের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে আব্রাম খান জয়। সময়ের সঙ্গে তার জন্মদিনও হয়ে উঠেছে ভক্তদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। এবার দশম জন্মদিনে সেই উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে অপু বিশ্বাস ও জয়ের কক্সবাজার সফর।
তুলি আক্তার/ অনলাইন / ডেস্ক যোগফল. কম
ছবি সংগৃহীত
ইতালির রাজধানী রোমে অনুষ্ঠিত ‘কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম ক্রিকেট দল। ফাইনালে ইউনাইটেড নেশনস দলকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি টানা চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য ধরে রাখে বাংলাদেশ। ফাইনালেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিরোপা নিশ্চিত করে তারা। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের উদযাপনে মুখর হয়ে ওঠে টুর্নামেন্ট প্রাঙ্গণ।
বাংলাদেশ দলের এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রোমে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ টি এম রকিবুল হক ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।’
তিনি বলেন, ‘ইতালিতে ফুটবল ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও প্রবাসীদের উদ্যোগ ও বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে দেশটিতে ক্রিকেটেরও প্রসার ঘটছে। বাংলাদেশ দূতাবাস সবসময় প্রবাসীদের খেলাধুলা ও তরুণদের উদ্যোগকে উৎসাহিত করে আসছে।’
ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগে আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশ দলের এই বিজয়ের আনন্দ ইতালিতে বসবাসরত সব প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন তিনি।
ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইউনাইটেড নেশনস দলের অধিনায়কও বাংলাদেশ দলের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘সবকটি দলই দারুণ প্রতিযোগিতা উপহার দিয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও এই টুর্নামেন্ট বিভিন্ন সংস্কৃতি ও মানুষকে এক সুতোয় বেঁধেছে।’
বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দলটির পারফরম্যান্স ছিল বিশেষভাবে নজরকাড়া এবং শিরোপা বাংলাদেশেরই প্রাপ্য ছিল।
টুর্নামেন্টে তৃতীয় হয়েছে শ্রীলঙ্কা দূতাবাস ক্রিকেট দল। চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ইউএনআই ক্যাসিনো ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট দল।
বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় ‘কমনওয়েলথ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’। ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করতেও আয়োজনটি ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ দলের টানা চতুর্থবারের এই সাফল্যে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ইতালিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে এই জয় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
আপনার মতামত লিখুন